
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার (৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, আসামি স্বেচ্ছায় ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছেন। এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে, সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১১ জুন দিন ধার্য করেন আদালত।
মঙ্গলবার পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়েছে।
