×

দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার : ডা. জাহেদ উর রহমান

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বিদ্যমান সকল ৩১ ও ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ধাপে ধাপে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, স্বাস্থ্যসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিগত সপ্তাহের মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে সারাদেশে মাত্র ৮টি উপজেলায় ১০০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু রয়েছে। জনসেবার পরিধি ও মান আরও বাড়াতে দেশের বাকি সকল ৩১ শয্যা ও ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জানান, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় এসব অ্যাম্বুলেন্স নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এছাড়া ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় “ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট জাতীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম” উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৭ জুন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে প্রথম ধাপের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগ ও জেলায় এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি হিসেবে দেশের বিদ্যুৎ গ্রিড আধুনিকায়নের সমীক্ষা চলছে। পাশাপাশি ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং লাইফ লাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের বিদ্যুতের পূর্বের মূল্যহার বহাল রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে ১২ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলে ২২ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। সারাদেশে ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি অব্যাহত রয়েছে এবং সরকারি গুদামে বর্তমানে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এছাড়া এবারের ঈদুল আজহায় দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই শতভাগ চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

×

শেয়ার করুন:

ডাউনলোড করুন (High Quality)