
পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬।
এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘প্রকৃতি থেকে প্রেরণা, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী, সামাজিক ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সূচনা হয় ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) থেকে। ৫ জুন শুরু হওয়া ওই সম্মেলন ১৬ জুন পর্যন্ত চলেছিল। পরবর্তীতে জাতিসংঘের উদ্যোগে ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর থেকে প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপাদ্য ও আয়োজক শহরকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
পরিবেশ সুরক্ষায় জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক উদ্যোগকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস জাতিসংঘের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত। সময়ের সঙ্গে এটি পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির বৃহত্তম আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশে কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে দিবসটি পালিত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়, দূষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের প্রেক্ষাপটে পরিবেশ সংরক্ষণে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
