×

জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ভূমিমন্ত্রী

দেশের স্বার্থে জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে সরকার যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আজ জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩২-এর সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপনের উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে ভূমিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ‘দরবেশ বাবা’, ‘ভূমি বাবা’সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বৈরতন্ত্রের চর্চা দেখা গেছে। তারা বিভিন্নভাবে দেশকে শোষণ করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি জানান, বালু ও মাটি উত্তোলন, বিপণন, পরিবহন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করতে সরকার ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে।

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ সংশোধন করে ভূমি মন্ত্রণালয় বালু ও মাটি উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে বালুমহাল ইজারা নিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সরকার সারাদেশে দিনরাত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে বলেও জানান ভূমিমন্ত্রী।

তিনি জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে মোট ২ হাজার ৬১৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৩ হাজার ৯৭৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে।

এসব অভিযানের আওতায় ৪ হাজার ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে ১ হাজার ২১৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ২২ কোটি ১৪ লাখ টাকার বেশি আর্থিক জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

পরিবেশবিদদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলনের ফলে পানির স্বচ্ছতা নষ্ট হয় এবং উদ্ভিদ ও মাছের আবাসস্থল ধ্বংস হয়। একই সঙ্গে এটি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবিকার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।

×

শেয়ার করুন:

ডাউনলোড করুন (High Quality)