
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, দেশের আটটি বিভাগীয় ক্যান্সার হাসপাতালের ভৌত অবকাঠামো নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং বিশেষজ্ঞ জনবল পদায়নের কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
আজ জাতীয় সংসদে ময়মনসিংহ-১ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমরের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের মধ্যেই আটটি বিভাগীয় ক্যান্সার হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।
মাদারীপুর-১ আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ড. এম এ মুহিত বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিনের জনবল সংকট রয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এ সংকট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ছয় মাসে প্রতিটি উপজেলায় নতুন চিকিৎসক পদায়নের চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে গাইনি চিকিৎসকের প্রয়োজন বেশি হলেও এ ক্ষেত্রে জনবল সংকট রয়েছে। নতুন চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি প্রশিক্ষিত চিকিৎসকদের নতুন করে পদায়নের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতি দ্রুত আরও কিছু নতুন চিকিৎসক পাওয়া যাবে। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পদায়নে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে।
মহিলা আসন-৯-এর সরকারি দলের সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের ১৫টি মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) মধ্যে কয়েকটির ভবন দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করা হলেও কার্যক্রম শুরু হয়নি।
ইতোমধ্যে আটটি ম্যাটসের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলোর কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া চলছে। ধাপে ধাপে বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোও চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ম্যাটসগুলো চালুর প্রক্রিয়াটি দীর্ঘমেয়াদি। জনবল নিয়োগসহ বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম চালু করতে হচ্ছে।
