
মাঠের বাইরের রাজনৈতিক জটিলতা, ভিসা সংক্রান্ত নাটকীয়তা এবং প্রস্তুতির ঘাটতি—সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে সবুজ গালিচায় দারুণ এক লড়াই উপহার দিল ইরান। লস অ্যাঞ্জেলসের মঞ্চে ইউরোপীয় পরাশক্তি বেলজিয়ামকে রুখে দিয়ে ৯০ মিনিটের ম্যাচ শেষে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয় গ্রুপ ‘জি’-এর হাইভোল্টেজ লড়াই।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় বেলজিয়াম। বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকে তারা একের পর এক চাপ সৃষ্টি করে ইরানের রক্ষণভাগে। প্রথমার্ধেই বেলজিয়াম ১১টি শট নেয়, যার ৪টি ছিল অন-টার্গেট। তবে ইরানের সংগঠিত রক্ষণভাগ সব আক্রমণই রুখে দেয়।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে ইরানও একটি দারুণ কাউন্টার অ্যাটাকে গোলের সুযোগ তৈরি করে। ডি-বক্সে হোসেইন কানানির নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। এরপর ২৭তম মিনিটে ইরান ফ্রি-কিক থেকে গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে আসে নাটকীয় মোড়। ৬৬তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার নাথান এনগো। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর তারা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে।
একজন বেশি থাকার সুবিধা নিয়ে আক্রমণ বাড়ায় ইরান। তবে বেলজিয়ামের দৃঢ় রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সে শেষ পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচ শেষ হয় ০-০ সমতায়।
পরপর দুই ম্যাচ ড্র করায় দুই দলেরই নকআউট পর্বের সমীকরণ এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রস্তুতির সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বেলজিয়ামের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ইরানের এই পারফরম্যান্স তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
