
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে জমে উঠেছে বাংলাদেশ ও ভারতের শিরোপা লড়াই। পিছিয়ে পড়েও ঋতুপর্ণা চাকমার গোলে দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ। রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধ শেষে ১-১ সমতায় বিরতিতে গেছে দুই দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই সতর্ক ও পরিকল্পিত ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ ও ভারত। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দলের মধ্যে ছিল তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। পাশাপাশি রক্ষণভাগেও ছিল শৃঙ্খলাবদ্ধ পারফরম্যান্স। ফলে প্রথমার্ধের অধিকাংশ সময় গোলশূন্যই ছিল ম্যাচ।
তবে ৪১ মিনিটে নীরবতা ভাঙে ভারত। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের একটি ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে পিয়ারি বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোল হজমের পরও ভেঙে পড়েনি বাংলাদেশের মেয়েরা। বরং বিরতির আগ মুহূর্তে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় স্বাগতিকরা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ এক আক্রমণ থেকে সমতার গোল আদায় করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। তার গোলে ১-১ সমতায় ফিরেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
ফাইনালে দল সাজাতে দুটি পরিবর্তন এনে চমক দেখিয়েছেন বাংলাদেশের ব্রিটিশ হেড কোচ পিটার বাটলার। ভারতের আক্রমণভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মাঝমাঠে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ পরিবর্তন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে বিশেষ নজরে রয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। ২০২২ ও ২০২৪ সালে সাফজয়ী দলের সদস্য এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার এবার প্রথমবারের মতো ফাইনালে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন এবং মাঝমাঠে নেতৃত্বের ছাপ রেখে চলেছেন।
গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে ৩-০ গোলের পরাজয়ের স্মৃতি পেছনে ফেলে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে সমানতালে লড়ছে বাংলাদেশ। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে জয়সূচক গোলের খোঁজে দুই দলের মরিয়া প্রচেষ্টায় ম্যাচটি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
