
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ফুটবল বিশ্বের এক অবিস্মরণীয় নাম। একসময় যাকে ‘ভিনগ্রহের ফুটবলার’ বলা হতো, সেই পর্তুগিজ তারকা এখন ৪১ বছর বয়সেও বিশ্বকাপের শিরোপার অন্যতম প্রত্যাশিত মুখ হিসেবে খেলছেন।
কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচেও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন রোনালদো। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী গোলের দেখা পাননি তিনি। বরং সহজ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করা নিয়েই বেশি আলোচনায় এসেছেন এই মহাতারকা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন রোনালদো। দ্বিতীয়ার্ধে কিছু সুযোগ পেলেও সেগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনি। সবচেয়ে সহজ সুযোগটি আসে ৬৯ মিনিটে—গোলপোস্টের সামনে একদম ফাঁকায় পেয়েও বলটি বার থেকে বাইরে মেরে ফেলেন তিনি।
এরপর ৭৩ মিনিটেও আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন রোনালদো। তার এই মিসে সতীর্থদের মধ্যেও হতাশা দেখা যায়।
পরিসংখ্যান বলছে, পুরো ম্যাচে রোনালদো ৩টি শট নিলেও কোনোটি লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। প্রায় ৯০ মিনিটের খেলায় তিনি মাত্র ২৫ বার বল স্পর্শ করেন এবং ১৯টি পাস দেন। ডিফেন্সিভ ভূমিকাতেও তার অবদান ছিল সীমিত।
ম্যাচ শেষে ধারাভাষ্যকারদের একাংশ এবং ফুটবল বিশ্লেষকদের কেউ কেউ রোনালদোর সুযোগ নষ্টকেই পর্তুগালের হারের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এমনকি ম্যাচ চলাকালীন সময়ে তাকে বদলি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েও কোচের সমালোচনা শোনা যায়।
তবে সমর্থকদের একাংশ মনে করছেন, একটি ম্যাচের ফল কেবল একজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়—পুরো দলের সমন্বয়ই এখানে বড় ভূমিকা রাখে।
