
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে নারী শিক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারীর আত্মকর্মসংস্থান, কৃষি, ডেইরি, পোলট্রি, মৎস্য এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনাকালে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারীদের হাতে তৈরি পণ্য যাতে কোনো বাধা ছাড়াই পাকিস্তানে রপ্তানি করা যায়, সে বিষয়ে পাকিস্তানের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আম, কাঁঠাল ও আনারস আমদানির জন্যও পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশের জন্য পাকিস্তানে ১০ হাজার টন পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুবিধা রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
হাইকমিশনার আরও বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সাইবার সিকিউরিটি, ন্যানো টেকনোলজি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাকিস্তানে গেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিবদের একটি প্রতিনিধি দলও একাডেমিক প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে পাকিস্তান সফর করেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
এ সময় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানে স্কলারশিপের সংখ্যা বাড়ানোর আহ্বান জানান মন্ত্রী। জবাবে হাইকমিশনার এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানান।
