×

কেন-বেলিংহামের গোলে পানামাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা ইংল্যান্ড

জুড বেলিংহামের এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ‘এল’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে ইংল্যান্ড। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শনিবারের এই জয়ে গ্রুপ পর্ব অপরাজিতভাবেই শেষ করেছে থমাস টুখেলের দল।

প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। তবে বিরতির পর ম্যাচের ৬২তম মিনিটে বুকায়ো সাকার কর্নার থেকে জুড বেলিংহাম হেডে জাল খুঁজে পেলে ডেডলক ভাঙে। এরপর বেলিংহামের নিখুঁত ক্রস থেকে হ্যারি কেন ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এবারের বিশ্বকাপে এটি ছিল ইংলিশ অধিনায়কের তৃতীয় গোল।

দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে হতাশাজনক ড্র করার পর পানামার বিপক্ষেও শুরুতে কিছুটা ছন্দহীন ছিল ইংল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা। আগামী বুধবার আটলান্টায় শেষ ৩২-এর ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে অন্য কোনো গ্রুপের সেরা তৃতীয় দল।

ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল বলেন, “এই জয় আমাদের প্রত্যাশিত ছিল। শারীরিকভাবে শক্তিশালী একটি দলের বিপক্ষে ম্যাচটি কঠিন হবে, সেটি আমরা জানতাম। পানামার বিপক্ষে গোল করা সহজ নয়। তবু আমরা বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছি এবং দুটি গোল পেয়েছি। তবে নকআউট পর্বের আগে আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।”

অন্য ম্যাচে ফিলাডেলফিয়ায় ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘এল’ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করেছে ক্রোয়েশিয়া। এই ফলে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে স্কটল্যান্ডের পরের রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনাও শেষ হয়ে গেছে। গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও ঘানা শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে।

ঘানার বিপক্ষে ম্যাচের তুলনায় শুরুর একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন আনেন টুখেল। মিডফিল্ডে বিশ্রাম দেওয়া হয় ডিক্লান রাইসকে। আর উইংয়ে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পান মার্কাস রাশফোর্ড ও বুকায়ো সাকা।

ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই রাশফোর্ডের জোরালো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন পানামার গোলরক্ষক অরল্যান্ডো মস্কুয়েরা। পরে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের ক্রস থেকে তার হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েও একটি ফ্রি-কিক থেকে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল ইংল্যান্ড।

অন্যদিকে, প্রথমার্ধে পানামাও একটি বিপজ্জনক আক্রমণ থেকে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও জর্ডান পিকফোর্ড দুর্দান্ত সেভে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেন।

বিরতির পর আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় ইংল্যান্ড। হোসে কর্দোবার ক্লিয়ারেন্স সতীর্থ আন্দ্রেস আন্দ্রাদের গায়ে লেগে অল্পের জন্য নিজেদের জালে ঢুকে যাচ্ছিল। এরপর মস্কুয়েরা আবারও দুর্দান্ত সেভ করে কেনকে গোলবঞ্চিত করেন।

তবে শেষ পর্যন্ত বেলিংহামের গোলেই জয়ের পথ খুলে যায় ইংল্যান্ডের। পরে কেনের গোলের যোগানও দেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে স্বস্তির জয় নিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবেই নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে থ্রি লায়ন্স।

×

শেয়ার করুন:

ডাউনলোড করুন (High Quality)