
দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর আবারও ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নেমে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার। ফুটবল বিশ্বকাপের ‘সি’ গ্রুপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি জানান, জাতীয় দলে ফিরতে পেরে ড্রেসিংরুমে একা বসেই অঝোরে কেঁদেছেন।
ইনজুরি ও ফর্মহীনতার কারণে ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর ব্রাজিলের হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারেননি দেশটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার। ইনজুরি পুরোপুরি না সারলেও বিশ্বকাপ দলে জায়গা পান তিনি। তবে পুরোপুরি ফিট না থাকায় গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি। ডাগআউটে বসে সতীর্থদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি একক অনুশীলন চালিয়ে যান। প্রায় এক মাসের কঠোর পরিশ্রমের পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ৭৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি।
ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলে জয় পেলেও গোল বা অ্যাসিস্টে অবদান রাখতে পারেননি নেইমার। তবু জাতীয় দলের জার্সিতে ফেরার আনন্দই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, “ড্রেসিংরুমে একা বসে কেঁদেছি। দীর্ঘদিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে ফিরতে পারাটা আমার জন্য বিরাট স্বস্তির।”
তিনি আরও বলেন, “মাঠে নামার সময় অনেক আবেগ কাজ করছিল। কারণ ব্রাজিলের জার্সি ও জাতীয় দল থেকে আমি অনেক দিন দূরে ছিলাম। ঈশ্বরের কৃপায় সবকিছু ভালো হয়েছে এবং আমি আবার ফিরতে পেরেছি।”
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোলে ৩-০ ব্যবধানে জয় পায় ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে টানা তৃতীয় ম্যাচেও গোল করে নিজের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রাখেন এই ফরোয়ার্ড। সতীর্থের প্রশংসা করে নেইমার বলেন, “আজ আমাদের জয়ের নায়ক ভিনি। সে দুর্দান্ত ফর্মে আছে। আমাদের অনেক সাহায্য করছে এবং ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিচ্ছে। এটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
গ্রুপ পর্ব শেষ করে এখন নকআউটের লড়াইয়ের অপেক্ষায় ব্রাজিল। সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জের কথা মনে করিয়ে দিয়ে নেইমার বলেন, “এখন সামনে নকআউট পর্ব। আমাদের জিততেই হবে। আমরা যেন আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি।”
