
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। সেই অংশ হিসেবেই এটিকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, ইসলামি শিক্ষা নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা দেয়, যা প্রকৃত শিক্ষার ভিত্তি। তবে পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলাম বিষয়ক শিক্ষক নিয়োগে সমস্যা হচ্ছে। এ কারণে সিলেবাস ও কারিকুলাম এমনভাবে প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে ইসলাম বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়।
নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ নৈতিকভাবে দুর্বল হলে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সরকারি চাকরিতে কে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছে তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তার সততা ও নৈতিকতা।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু জাফর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ১০০টি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান এবং ফাজিল ও কামিল স্তরের ২০২৩ ও ২০২৪ সালে এ প্লাস প্রাপ্ত ১৪৭ জন শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
