
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় তাঁর প্রথম বিদেশ সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই সৌজন্য ও আন্তরিকতা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেরই প্রতিফলন।
দুই দিনের কুয়ালালামপুর সফর শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মালয়েশিয়ার সরকার ও বন্ধুপ্রতীম জনগণের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বন্ধুত্ব, আন্তরিকতা ও সৌজন্যে আমরা গভীরভাবে অভিভূত।”
তিনি জানান, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী Anwar Ibrahim–এর সঙ্গে তাঁর বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক সুসম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রম, শিক্ষা ও আঞ্চলিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে উভয় দেশের অঙ্গীকার জোরদার হয়েছে।
তারেক রহমান আরও লিখেছেন, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তাঁর সহধর্মিণী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইলের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ।
সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মূল্যবান বন্ধনের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল কয়েক দশক আগে, যখন তাঁর বাবা Ziaur Rahman বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর মা Khaleda Zia প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্র ও জীবনের নানা পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তা বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়।
প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার রাজা Sultan Ibrahim Iskandar–এর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৈঠককালে প্রদর্শিত উষ্ণতা ও সৌজন্যের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
বার্তার শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ইতিবাচক। তিনি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া সম্পর্ক ও বহুমুখী অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়ালালামপুর থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
