
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি লড়াই, সংগ্রাম, অর্জন ও নানা রাজনৈতিক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। চার দশকের বেশি সময় ধরে নানা প্রতিকূলতা ও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করে বিএনপি দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
২০০৬ সালে ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকেই একের পর এক রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয় বিএনপিকে। ২০০৭ সালের এক-এগারোর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দল ভাঙার চেষ্টা, শীর্ষ নেতাদের কারাবরণসহ নানা সংকটে পড়ে দলটি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপির জন্য ওই সময়টি ছিল কঠিন পরীক্ষার।
২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথে ব্যাপক দমন-পীড়নের শিকার হন। এ সময়ে দলের কয়েক লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা দেওয়া হয়। আন্দোলন দমনে গুম, খুন ও নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। তৃণমূল পর্যন্ত নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দলকে সাংগঠনিকভাবে টিকিয়ে রাখাকে নেতৃত্বের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে বিএনপি।
দীর্ঘ দুই দশকের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতা পেরিয়ে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয় অর্জন করে বিএনপি। দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দলটি এবং পঞ্চমবারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ পায়।
ক্ষমতায় ফিরে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে ‘জাতীয় ঐক্য’ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে জনগণের অধিকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন কার্যক্রম ও কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি সরকার।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছে।
বিএনপির অভিযোগ, এসব নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার ও জনরায়ের যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫৩ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনকে বিএনপি ‘রাতের ভোট’ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনকে ‘আমি-ডামি’র নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করে।
এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে।
বিতর্কিত এক-এগারোর পর বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য প্রায় দুই দশক ছিল কঠিন সময়। বিতর্কিত মামলায় তাঁকে কারাবন্দি করা হলে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। দীর্ঘ কারাবাস ও উন্নত চিকিৎসার অভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে তিনি আপসহীন ছিলেন।
এ সময়ে দলের হাল ধরেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত দলকে সংগঠিত করা হয় এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকে।
২০০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার ও কারাবন্দি অবস্থায় নির্যাতনের পর চিকিৎসার প্রয়োজনে দেশ ছাড়েন তারেক রহমান। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক মামলায় তাঁকে সাজা দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান।
দীর্ঘ আন্দোলন ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন বাস্তবতায় বিএনপিও সাংগঠনিকভাবে নিজেদের পুনর্গঠনের কাজকে গুরুত্ব দেয়। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ও নেতৃত্ব দেওয়া নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও আন্দোলনের সময় নির্বাসিত জীবন থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দেন।
প্রায় ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তাঁকে স্বাগত জানাতে রাজধানীর পূর্বাচলে লাখো নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ জড়ো হন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তাঁরা।
দীর্ঘ দুই দশক ক্ষমতার বাইরে থেকেও বিএনপিতে বড় ধরনের ভাঙন না হওয়াকে দলটির সাংগঠনিক শক্তির অন্যতম দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরা হয়। তারেক রহমান নির্বাসনে থাকা এবং বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা সত্ত্বেও তৃণমূল পর্যায়ে দলের ঐক্য অটুট ছিল বলে বিএনপির নেতারা দাবি করেন।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জাতীয় ঐক্যের রাজনৈতিক দর্শন সামনে রেখে দলটির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।
১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বড় ধরনের বিজয় অর্জন করে। এর মধ্য দিয়ে নবগঠিত দলটি জাতীয় রাজনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে।
১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হলে বিএনপি গভীর রাজনৈতিক সংকটে পড়ে। এরপর ১৯৮২ সালে সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার পর দলটি বিরোধী রাজনীতিতে চলে যায় এবং নতুন রাজনৈতিক সংগ্রাম শুরু করে।
আশির দশকজুড়ে বিএনপি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি রাজপথের আন্দোলনকে সংগঠিত করে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমন্বিত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়।
তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। এর মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ তৈরি হয়।
১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একই সময়ে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তন ঘটে।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। ওই সংসদে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস হয়। একই বছরের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সরকার গঠন করতে না পারলেও ১১৬টি আসন পেয়ে বিএনপি বড় বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট বড় বিজয় অর্জন করে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারের মেয়াদে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, কৃষি, যোগাযোগ ও অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারি হলে বিএনপি কঠিন রাজনৈতিক সংকটে পড়ে। ওই সময় বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, আরাফাত রহমান কোকো এবং দলের শীর্ষ পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা গ্রেফতার হন।
তখন বিএনপিকে ভাঙারও চেষ্টা করা হয়। কারা হেফাজতে নির্যাতনের পর চিকিৎসার প্রয়োজনে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে বিদেশে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। বিএনপি নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হলে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে বিএনপি।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। এ সময় দলটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী গ্রেফতার, মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হন বলে দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনী প্রচারণার সময় দলটির অনেক প্রার্থী ও নেতাকর্মী হামলা ও গ্রেফতারের শিকার হন বলে বিএনপি অভিযোগ করে। নির্বাচনের পর বিএনপি সীমিত প্রতিনিধিত্ব নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের রাজনীতিতে অংশ নেয়।
২০২২ সাল থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে সমাবেশ, গণমিছিল, বিভাগীয় সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন শুরু করে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, সরকারের পদত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন জোরদার হয়।
২০২৩ সালে ঢাকাকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ে। বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, গ্রেফতার ও মামলার অভিযোগও ওঠে।
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বর্জন করে। এরপর জুলাইয়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হলে তা একপর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার পর আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে সারা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০২৬ সালে বিএনপি আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের মধ্য দিয়ে দলটির রাজনৈতিক যাত্রা নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকেছে, বিরোধী দলে থেকেছে, আন্দোলন করেছে, নির্বাচনে জয়-পরাজয় দেখেছে এবং নানা রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করেছে। ৪৮ বছরের এই পথচলায় দলটির ইতিহাসে যেমন রয়েছে ক্ষমতার সাফল্য, তেমনি রয়েছে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও কঠিন রাজনৈতিক প্রতিকূলতার অধ্যায়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে ২০২৬ সালে বিএনপির রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন দলটির ৪৮ বছরের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক:
এ্যাডভোকেট মিঞা মোঃ শিরণ আলম
নিবার্হী সম্পাদক: মোঃ শাহ আলম মন্ডল
বার্তা সম্পাদক: ১। মোঃ মঈনুল ইসলাম
২। মোঃ হানিফুর রহমান
মফস্বল সম্পাদক: মোঃ হাসিন ইশরাক সরকার
অফিস:
ঘাটপাড়, বিরামপুর,দিনাজপুর
ইমেইল:birampurbd26@gmail.com
মোবাইল: সম্পাদক ও প্রকাশক: 01716-559608
নির্বাহী সম্পাদক: 01715-778350
Copyright © 2026 Birampurbd