
বঙ্গোপসাগরে এক টানেই জেলে আলমগীর মাঝির জালে ধরা পড়েছে বিপুল পরিমাণ ইলিশ। একসঙ্গে ২ হাজার ২০০টি ইলিশ ধরা পড়ায় মাছ বিক্রি করে আয় হয়েছে সাড়ে ৪৮ লাখ টাকা।
ঘটনাটি ঘটেছে পায়রা বন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে। এফবি জুনায়েদ নামের একটি ট্রলার নিয়ে ১৬ জন জেলেসহ সাগরে জাল ফেলেন মাঝি আলমগীর। একবার জাল টান দিতেই উঠে আসে ২ হাজার ২০০টি ইলিশ, যার মোট ওজন ৪৬ মণ।
শুক্রবার বিকেলে মাছগুলো বিক্রির জন্য মহিপুর মৎস্য আহরণ কেন্দ্রের ‘মনোয়ারা ফিশ’ আড়তে নেওয়া হলে সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও পাইকারদের ভিড় জমে যায়। পরে খোলা নিলামের মাধ্যমে ২৪ মণ বড় আকারের ইলিশ ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকায় এবং ২২ মণ মাঝারি আকারের ইলিশ ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। সব মিলিয়ে মাছ বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।
এফবি জুনায়েদ ট্রলারের মাঝি আলমগীর বলেন, বৃহস্পতিবার ১৬ জন জেলেকে নিয়ে পায়রা বন্দরের শেষ বয়া এলাকায় জাল ফেলেন। একবার জাল টানার পরই ২ হাজার ২০০টি ইলিশ উঠে আসে। প্রায় পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের লোকসানের পর এই মাছ পেয়ে তিনি খুবই আনন্দিত।
মাছ বিক্রির বিষয়ে ‘মনোয়ারা ফিশ’-এর ম্যানেজার সগির আকন বলেন, দীর্ঘদিন পর বাজারে এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। বর্তমানে বাজারে দাম ভালো থাকায় জেলেরা ন্যায্য মূল্য পেয়েছেন। সাধারণত একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায় না।
সাগরে মাছের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কিছুদিন আগেও সাগরে ইলিশের সংকট ছিল। তবে বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। এক ট্রিপে ৪৬ মণ ইলিশ পাওয়ার ঘটনায় উপকূলের জেলেদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সামনে সাগরে ইলিশ ধরার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এতে জেলে, আড়তদারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক:
এ্যাডভোকেট মিঞা মোঃ শিরণ আলম
নিবার্হী সম্পাদক: মোঃ শাহ আলম মন্ডল
বার্তা সম্পাদক: ১। মোঃ মঈনুল ইসলাম
২। মোঃ হানিফুর রহমান
মফস্বল সম্পাদক: মোঃ হাসিন ইশরাক সরকার
অফিস:
ঘাটপাড়, বিরামপুর,দিনাজপুর
ইমেইল:birampurbd26@gmail.com
মোবাইল: সম্পাদক ও প্রকাশক: 01716-559608
নির্বাহী সম্পাদক: 01715-778350
Copyright © 2026 Birampurbd