
গ্রাম ও শহরের সব বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে একটি সমন্বিত প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি বড় প্রকল্প প্রস্তুত করেছে। নতুন জাতীয় বাজেটেও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ ও হ্রাসে সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
শনিবার রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘সিএসএফ সেন্টার’-এর সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনার বিকাশে প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ, পুনর্বাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
ড. মুহিত বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত প্রকল্পের লক্ষ্য হলো শহর, নগর ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বসবাসরত প্রতিটি বিশেষ শিশুকে সরাসরি সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা। এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মানবিক উন্নয়ন ও সমঅধিকার নিশ্চিত করাই প্রকৃত অগ্রগতি। এ কারণে সরকার নীতি, বাজেট ও সেবাব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্য নাগরিকদের সমতুল্য অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জন্মগত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুরা যেন অবহেলার শিকার না হয় এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ পায়, সে জন্য রাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন জাতীয় বাজেটে এ খাতে পৃথক অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ শিশুদের সমঅধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানান তিনি। এর আওতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কড়াইল বস্তির সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রসঙ্গে ড. মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান উদ্বোধন করা ‘শিশু স্বর্গ’ কর্মসূচি বছরজুড়ে চলবে। দেশের বিভিন্ন শীর্ষ চিকিৎসাকেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা নিয়মিত সিএসএফ সেন্টারে এসে প্রান্তিক শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী এবং সিএসএফ সেন্টারের মহাসচিব আবু ঈসা মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন।
সম্পাদক ও প্রকাশক:
এ্যাডভোকেট মিঞা মোঃ শিরণ আলম
নিবার্হী সম্পাদক: মোঃ শাহ আলম মন্ডল
বার্তা সম্পাদক: ১। মোঃ মঈনুল ইসলাম
২। মোঃ হানিফুর রহমান
মফস্বল সম্পাদক: মোঃ হাসিন ইশরাক সরকার
অফিস:
ঘাটপাড়, বিরামপুর,দিনাজপুর
ইমেইল:birampurbd26@gmail.com
মোবাইল: সম্পাদক ও প্রকাশক: 01716-559608
নির্বাহী সম্পাদক: 01715-778350
Copyright © 2026 Birampurbd