
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলে বক্তব্য দিচ্ছে, তারা জনগণের স্বার্থে নয়, নিজেদের স্বার্থে কথা বলছে। এ ধরনের অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণ বিএনপিকে পাঁচ বছরের জন্য দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। জনগণ চায়, আমরা নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়ন করি এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। যারা বলছে সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না, তারা জনগণের স্বার্থে কথা বলছে না; তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছে।”
একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে তাদের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যেসব মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, গুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিংবা মিথ্যা মামলার বোঝা বহন করেছেন, তাদের বড় অংশই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশকে পুনর্গঠন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমাদের সময় প্রয়োজন। স্বৈরাচারী শাসনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রব্যবস্থাকে পুনরুদ্ধারে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন জনগণের প্রত্যাশারই প্রতিফলন। এসব কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে যারা তৎপর, তাদের বিষয়ে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে।
অর্থের জোগান নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে প্রশ্ন করে ফ্যামিলি কার্ড বা অন্যান্য সামাজিক কর্মসূচির অর্থ কোথা থেকে আসবে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, জনগণের অর্থ আর বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না। দেশের সম্পদ দেশের মানুষের কল্যাণেই ব্যয় করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “দেশ গড়ার দায়িত্ব দেশের জনগণের। ২০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তাই সবাইকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে।”
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তৃতীয় পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এছাড়া চা-শ্রমিকদের আবাসন সহায়তা, শিক্ষাবৃত্তি এবং অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
সমাজকল্যাণ ও মহিলা-শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক:
এ্যাডভোকেট মিঞা মোঃ শিরণ আলম
নিবার্হী সম্পাদক: মোঃ শাহ আলম মন্ডল
বার্তা সম্পাদক: ১। মোঃ মঈনুল ইসলাম
২। মোঃ হানিফুর রহমান
মফস্বল সম্পাদক: মোঃ হাসিন ইশরাক সরকার
অফিস:
ঘাটপাড়, বিরামপুর,দিনাজপুর
ইমেইল:birampurbd26@gmail.com
মোবাইল: সম্পাদক ও প্রকাশক: 01716-559608
নির্বাহী সম্পাদক: 01715-778350
Copyright © 2026 Birampurbd